in

এলন মাস্কের প্রতিশ্রুতি: কতটা সফল হয়েছেন তা অর্জন করতে?

Tesla Motors CEO Elon Musk is considering taking the company private, saying it would be less distracting that the "enormous pressure" of meeting quarterly financial targets.

এলন মাস্ক সুপরিচিত তার নিত্য-নতুন উদ্ভাবনী ধারণা ও সাহসী লক্ষ্যের কারণে। কিন্তু ওই যে কথায় আছে, “যত গর্জে তত বর্ষে না,” সেই একই কথা প্রযোজ্য মাস্কের ক্ষেত্রেও। নিন্দুকদের ভাষ্যমতে, তিনি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন বটে, কিন্তু সময়মতো সেগুলো করে দেখাতে প্রায়ই ব্যর্থ হন, যার ফলে তার দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অনেকের কাছেই খেলো মনে হয়।

এমনকি টেসলার সিইও নিজেও কিন্তু তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন না। বরং তিনি এগুলোকে ন্যায্য সমালোচনা হিসেবেই বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে আমি সময়ের ভিতর কাজ শেষ করতে পারি না। কিন্তু আমি অবশ্যই কাজটি শেষ করি, টেসলার দল অবশ্যই কাজটি শেষ করে।”

তাই অনেকের মনেই এখন প্রশ্ন, সাম্প্রতিক সময়ে মাস্ক যেসব উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছেন এবং বিশাল বড় বড় সব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, সেগুলো অর্জনের পথে তিনি আদতে ঠিক কতটা এগোতে পেরেছেন। চলুন, একে একে জেনে নিই লক্ষ্য অর্জনের পথে তার হালনাগাদ অবস্থা সম্পর্কে।

স্বচালিত টেসলা গাড়ি

মাস্কের লক্ষ্য হলো, ২০২০ সাল শেষ হওয়ার আগেই রাস্তায় এক মিলিয়ন স্বচালিত টেসলা গাড়ি নামানো। এপ্রিল মাসে তিনি বলেন,

আমি এই ভবিষ্যদ্বাণী দেয়ার ব্যাপারে খুবই আত্মবিশ্বাসী অনুভব করছি যে, আগামী বছরই আমরা রাস্তায় টেসলার স্বয়ংক্রিয় রোবো-ট্যাক্সি দেখতে পাবো।

কিন্তু প্রকৃত বাস্তবতা হলো, টেসলা আদৌ নির্ধারিত সময়ের মাঝে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সমর্থ হবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয় কেউই। কেননা এখন পর্যন্ত রাস্তায় একটিও স্বচালিত্ গাড়ি নামাতে পারেননি টেসলা। এজন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারই নাকি এখনো প্রস্তুত নয়। শেষ পর্যন্ত যদি কোম্পানিটি তাদের প্রতিশ্রুতি রাখতে চায়ও, সেক্ষেত্রে তাদেরকে খুব বড় একটি ঝুঁকি নিতে হবে: নব্য উদ্ভাবিত প্রযুক্তিটি ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই, তাড়াহুড়া করে বাজারে ছেড়ে দিতে হবে।

টেসলা স্বচালিত গাড়ি; Image Source: Getty Images.

এছাড়া টেসলা ইতিমধ্যেই আরো বড় একটি ঝুঁকি নিয়ে ফেলেছে। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলো, যেমন ওয়েমো, ফোর্ড ও জেনারেল মটর্স লিডার নামের একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। লিডার হলো একটি সেন্সর যা গাড়িকে তার আশেপাশে কী আছে তা বুঝতে সাহায্য করে। এছাড়া পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বোঝার জন্য হাই-ডেফিনিশন মানচিত্রের ব্যবস্থাও করেনি তারা। শেষ পর্যন্ত এই বড় দুইটি সিদ্ধান্তের কারণে টেসলার অনেক বেশি লাভ হবে, কিংবা অনেক বড় ক্ষতি হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচালিত গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এটিই কিন্তু টেসলার প্রথম ব্যর্থতা নয়। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে মাস্ক বলেছিলেন, ২০১৭ সালের মধ্যেই টেসলার গাড়ি কোনোরকম স্পর্শ ছাড়াই লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত যেতে পারবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত টেসলা তা করে দেখাতে পারেননি। এরপরও মাস্ক তার আগের সিদ্ধান্তেই অবিচল রয়েছেন যে, অদূর ভবিষ্যতেই প্রযুক্তি জগতে বিশাল ভূমিকা পালন করবে তার আত্মচালিত গাড়ি। তার মতে, যখন স্বচালিত গাড়ির মাধ্যমে রাইড শেয়ারিং করা যাবে, তখন যাতায়াতের খরচ বাস ভ্রমণের চেয়েও সস্তা হয়ে উঠবে।

টেসলা পিকআপ ট্রাক

প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল, অন্তত ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যেই টেসলা একটি নতুন পিকআপ ট্রাক উন্মোচন করবে। ২০১৭ সালের এপ্রিলে মাস্ক টুইট করে জানিয়েছিলেন, “আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যেই আমরা একটি পিকআপ ট্রাকের উন্মোচন হওয়া দেখব।”

এখন মে মাস। অর্থাৎ ইতিমধ্যেই আমরা মাস্কের বেঁধে দেয়া সর্বোচ্চ সময়সীমাও পার হয়ে এসেছি। কিন্তু কোনো পিকআপ ট্রাকেরই দেখা এখন অবধি মেলেনি। অবশ্য বিলম্বের কারণটিও বোধগম্য। টেসলা পিকআপ ট্রাকের জন্য মডেল ৩-এর উপর নির্ভর করছে, যেটিকে কোম্পানিটির টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মাস্ক।

টেসলা পিকআপ ট্রাক; Image Source: Tesla

২০১৯ সালের প্রথম চার মাসে টেসলার বিক্রি ৩১ শতাংশ কমে গেছে, যা কোম্পানিটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পতন। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ফেডারাল ট্যাক্স ক্রেডিটের দরপতন, যা সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে টেসলার আবেদন অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

ইলেকট্রিক যানবাহন, সর্বত্র

এক্ষেত্রে কোনো নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেননি মাস্ক, তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, রকেট বাদে বাকি সকল যানবাহনই হবে বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত। ২০১৫ সালে রেডিও প্রোগ্রাম মার্কেটপ্লেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “উড়োজাহাজ এবং জাহাজ এবং অন্য সব ধরনের যানবাহনই হয়ে উঠবে ইলেকট্রিক।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একদিন না একদিন মাস্কের আশা অবশ্যই পূরণ হবে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন আরো অনেক বছরের গবেষণা ও উন্নয়ন। কেবল তবেই স্বপ্ন রূপ নেবে বাস্তবতায়। নতুন নতুন স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো যেমন বোয়িং এবং এয়ারবাস, সকলেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইলেকট্রিক বিমান নির্মাণের। কিন্তু সমস্যাটি হলো, বিমান তৈরির সামর্থ্য খুবই সীমিত, এবং তার পক্ষে সময় ও শক্তির বিচারে অত্যাধুনিক উড়োজাহাজের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম।

তবে ইলেকট্রিক যানবাহনের অনেকটাই অগ্রগতি হয়েছে গাড়ি, বাস, ট্রাক এবং বাইসাইলের ক্ষেত্রে। কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে আরো এগিয়ে যাওয়ার আগে প্রয়োজন নতুন নতুন অবকাঠামো সৃষ্টি, যেমন চার্জিং স্টেশন। আমাদের আশেপাশে যে পরিমাণ গ্যাস স্টেশন আছে, ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন নেই তার কিয়দাংশও। যদি ইলেকট্রিক যানবাহনে চার্জ দেয়ার সুব্যবস্থা করা যায়, তাহলে হয়তো অনেক মানুষই ভবিষ্যতে গ্যাস রেখে ইলেকট্রিক যানবাহনের দিকে বেশি ঝুঁকবে।

হাইপারলুপ ও লুপ

মাস্কের মূল লক্ষ্য হলো, টানেলের মাধ্যমে শহুরে ভিড়ভাট্টা কমানো। ২০১৭ সালের এপ্রুকে টেড কনফারেন্সের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, “থ্রিডি টানেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনারা যেকোনো মাত্রার শহুরে ভিড় থেকেই মুক্তিলাভ করতে পারবেন।”

হাইপারলুপ; Image Source: Getty Images

মাস্কের টানেলিংয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বোরিং কোম্পানি। তারা টানেল নির্মাণের খরচ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা প্রকাশ্যে তাদের প্রকল্প হাজির করতে পারেনি। এই টানেলগুলো ব্যবহার করা যাবে লুপ, গাড়ির জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড হাইওয়ে-ইন-আ-টানেল এবং হাইপারলুপের জন্য, যেক্ষেত্রে ৬০০ মাইল প্রতি ঘন্টা বেগে চলাচল করতে পারবে ইলেকট্রিক পড। বোরিং কোম্পানি এই মুহূর্তে লুপ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে লস অ্যাঞ্জেলেস, লাস ভেগাস, শিকাগো এবং ওয়াশিংটন, ডিসি ও বাল্টিমোর, মেরিল্যান্ডের মাঝে।

সোলার শিঙ্গেলস

মাস্কের লক্ষ্য হলো, ২০১৯ সালকে তিনি পরিণত করবেন টেসলার সোলার রুফের বছর হিসেবে। এ বছরের শুরুতেই তিনি বলেছেন, “এ বছরটি নিঃসন্দেহে হতে চলেছে সোলার রুফ ও পাওয়ারওয়ালের।”

সেই ২০১৬ সালের মাস্ক প্রথম সোলার রুফের ব্যাপারে সর্বসাধারণকে অবহিত করেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন এটির সংযোগ স্থাপন করা হবে ইন-হোম ব্যাটারির সাথে, যাতে করে শক্তি মজুদ করে রাখা যায়। তার বলা সোলার সেলগুলোতে অনেকেই নতুনত্বের ছোঁয়া খুঁজে পেয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। টেসলা তাদের যাবতীয় মনোযোগ মডেল ৩ উৎপাদনের কাজেই ব্যয় করছে।

চন্দ্রজয়

মাস্কের লক্ষ্য ছিল, ২০১৮ সালেই সংগঠিত হবে চাঁদকেন্দ্রিক মহাকাশ পর্যটন। ২০১৭ সালে একটি কনফারেন্সে তিনি প্রতিবেদকদের বলেছিলেন, “আগামী বছরটি হতে চলেছে মানুষকে স্পেস স্টেশন এবং তারও ওপাশে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় ধাপ।”

কিন্তু মাস্ক কি পেরেছেন তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে? পারেননি। তার রকেট এবং মহাকাশযান প্রস্তুতকারী কোম্পানি স্পেস এক্স ডাহা ফেল মেরেছে। ২০১৮ সালে তারা আগ্রহী পর্যটকদেরকে ফ্যালকন হেভি রকেটে করে মহাকাশ ভ্রমণে নিয়ে যেতে পারেনি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি বলেন, স্পেস এক্সের আর কোনো পরিকল্পনা নেই হিউম্যান স্পেসফ্লাইটের ব্যাপারে, বরং তারা এখন তাদের বিগ ফ্যালকন রকেটকে পর্যটনের কাজে ব্যবহার করতে চলেছে। এর ফলে তাদের পূর্বনির্ধারিত টাইমলাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, এবং ২০১৮ সালে হওয়ার কথা ছিল যে যাত্রাটি, সেটি এখন হবে ২০২৩ সালে।

স্পেস এক্সের মহাকাশ জয়ের প্রকল্প; Image Source: Getty Images

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেস এক্স ঘোষণা দেয় যে জাপানি বিলিয়নিয়ার ইয়ুসাকু মেজাওয়া হতে চলেছেন তাদের প্রথম মহাকাশ পর্যটক। এক অপ্রকাশ্য পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে তিনি এ সুযোগটি লাভ করেছেন। ইয়ুসাকি বলেছেন, তিনি তার সাথে করে ছয় থেকে আটজন শিল্পীকে নিয়ে যেতে চলেছেন। ফেরার পথে তারা মহাকাশ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের শিল্প তৈরি করবেন। তার পরিকল্পনা রয়েছে চিত্রকর, আলোকচিত্রী, সঙ্গীতশিল্পী, চলচ্চিত্র পরিচালক, ফ্যাশন ডিজাইনার ও প্রকৌশলীদেরকে তার যাত্রাসঙ্গী করার।

মঙ্গলে উপনিবেশ স্থাপন

মাস্কের লক্ষ্য ২০২৫ সালের ভিতরই মঙ্গলগ্রহে উপনিবেশ স্থাপনের। ২০১৮ সালে এক টুইটার আলাপচারিতায় তিনি জানান, আগামী সাত থেকে দশ বছরের মধ্যেই হয়তো মঙ্গলের বুকে মানুষের পদচিহ্ন অঙ্কিত হবে।

মাস্ক চান, মানবজাতির আবাসভূমি যেন কেবল এই পৃথিবীতেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তারা যেন সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে করে মানবজাতির টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে তার বিশ্বাস। কিন্তু তিনি তার এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পে কতটুকু সফল হবেন, তা বলার সময় এখনো আসেনি। স্পেস এক্স জানিয়েছে, তাদের পরিকল্পনা রয়েছে ২০২২ সালে মঙ্গলে একটি কার্গো মিশন প্রেরণের, যেটি সেখানে উপনিবেশ স্থাপনের প্রাথমিক কাজগুলো সেরে আসবে, যেমন: পানি খুঁজে বের করবে, বিভিন্ন স্থানে শক্তি স্থাপন করবে ইত্যাদি।

মাস্কের প্রাথমিক ইচ্ছা মঙ্গলে একটি দুর্দান্ত শহর গড়ে তোলা, এবং পরবর্তীতে সেটিকে কেন্দ্র করেই একটি আধুনিক সভ্যতার বিস্তার করা। তবে পৃথিবীবাসী মানুষ আসলেই মঙ্গলে উপনিবেশ স্থাপনের ক্ষেত্রে কতটুকু আগ্রহী হবে, সেটি একদমই ভিন্ন একটি প্রসঙ্গ। কেননা মাস্ক বলছেন তার নিজেরই মঙ্গলে যাওয়ার সম্ভাবনা ‘মাত্র’ ৭০ শতাংশ।

ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস

মাস্কের লক্ষ্য হলো, ২০২৫ সালের মাধ্যমেই তিনি মানুষ ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেসের মালিকানা লাভ করবে। ২০১৭ সালে ওয়েট বাট হোয়াই নাম একটি ওয়েবসাইটকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আমার মনে হয় আমরা মাত্র আট থেকে দশ বছর দূরে রয়েছি প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য এ প্রযুক্তিকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা থেকে।”

নিউরালিংকের ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস; Image Source: YouTube

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এ লক্ষ্যটি অর্জন করতে মাস্ককে যথেষ্ট মরিয়া বলেই মনে হয়। কিন্তু তবু এখনই বলা সম্ভব নয় শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হতে পারবেন কি না। ২০১৭ সালে মাস্ক নিউরালিংক নামক যে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তারা এই মুহূর্তে কাজ করে চলেছে এমন একটি ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস তৈরি করার, যেটি শারীরিকভাবেই একজন মানুষের মাথায় প্লাগ-ইন করা যাবে।

যদিও এখন পর্যন্ত নিউরালিংকের কার্যপ্রণালী ও অগ্রগতি সম্পর্কে খুব বেশি সংবাদ প্রকাশিত হয়নি, তবে নিয়মিতই কোম্পানিটি নতুন নতুন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে চলেছে। তাছাড়া মাস্ক নিজেই কিছুদিন আগে জানিয়েছেন যে খুব শীঘ্রই তিনি নিউরালিংকের ব্যাপারে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

Comments

0 comments

যেভাবে এফসি বার্সেলোনা হয়ে উঠেছে কাতালান গৌরবের প্রতীক

কলেজ স্ট্রিট মানে কি শুধুই বই?